যদি সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ বা ৬৭ জন সদস্য মনে করেন যে ট্রাম্প দোষী, তাহলে তিনি ক্ষমতা থেকে অপসারিত হবেন। তবে তেমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কারণ, সিনেটে রিপাবলিকান দলের সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে।

সিনেটে রিপাবলিকান নেতা মিচ ম্যাককনেল ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আইনজীবীদের সঙ্গে পূর্ণ সলাপরামর্শ করেই তিনি বিচারকাজ পরিচালনার প্রশ্নে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে ট্রাম্প প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হয়েছেন। এর আগে অ্যান্ড্রু জনসন ও বিল ক্লিনটন প্রতিনিধি পরিষদে অভিশংসিত হলেও সিনেটে উতরে যান। ট্রাম্পও টিকে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে গত বছরের ২৫ জুলাই ট্রাম্পের টেলিফোন আলাপচারিতা থেকে এই অভিশংসন-প্রক্রিয়ার সূত্রপাত হয়। অভিযোগ ওঠে, ফোনালাপের সময় আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়নপ্রত্যাশী জো বাইডেনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য জেলেনস্কিকে চাপ দেন ট্রাম্প। হুইসেল ব্লোয়ার ব্যক্তির মাধ্যমে এই ঘটনা সামনে আসে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে